বরিশালে ৭শ টাকা কেজি দরে কাঁচা মরিচ বিক্রি

News News

Desk

প্রকাশিত: ১০:৩৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ২, ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক : বরিশালে টানা বর্ষণে নষ্ট ও ঈদ ছুটিতে সরবরাহ বন্ধের কারণ দেখিয়ে ৫০ টাকা কেজির কাঁচা মরিচ ৭শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চাহিদার চেয়ে মরিচের যোগান কম থাকার সুযোগে অতিমুনাফা লোভীরা এই সুযোগে দাম বাড়িয়েছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।

নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের মাধ্যমে দাম নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছেন ভূক্তভোগীরা। তবে ব্যবসায়ীদের দাবি, বাজারে মরিচ না থাকার কারনে বেশি দামে কিনে কম লাভে বিক্রি করছেন।
নগরীর একাধিক ফুটপাতের সবজির দোকান ঘুরে এই দৃশ্য দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সবজির বাজারে চলমান আগুনে উত্তাপ বাড়িয়েছে কাঁচামরিচ। ঈদের আগের দিন যে মরিচ বিক্রি হয়েছে পাঁচশ টাকা কেজি, সেই মরিচ একদিন পরই ৭শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতাদের দাবি, ১৫ দিন আগেও এই মরিচের কেজি ছিলো মাত্র ৫০ টাকা। বর্তমানে ঈদ চলমান থাকায় পণ্য সরবরাহ বন্ধ থাকায় মরিচ না আসা ও বৃষ্টির কারণে পঁচে যাওয়ায় মরিচের দাম বেড়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।

ক্রেতারা জানান, বেতন পাই নয় হাজার টাকা আর কাঁচা মরিচের কেজি ৭শ টাকা। দাম শুনে কাঁচা মরিচ না কিনে শুকনা মরিচ কিনে বাড়ি ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। অন্যান্য সবজির দামও ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। এর মধ্যে নানান অজুহাতে কাঁচা মরিচেরও দাম বাড়িয়েছে ব্যবসায়ীরা। নিয়মিত বাজার মনিটরিং থাকলে লাফিয়ে দাম বৃদ্ধি হতো না।

ক্রেতারা জানান, মেসে রান্না করে খাই। সবজি কিনতে এসে দেখি টমেটোর কেজি আড়াইশ আর কাঁচা মরিচের কেজি ৭শ টাকা। তাই কাঁচা মরিচ না কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন অজুহাতে দাম বাড়িয়েছেন।

১৫ দিন আগে এই কাঁচা মরিচ ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। একদিন আগেও ছিলো পাঁচশ টাকা, সেই কাঁচা মরিচ এক দিনের ব্যবধানে ৭শ টাকা হয়ে গেছে।